বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০০৮

আলাপন : এক বৃষ্টি ধোয়া বিকেল

:: এক পশলা বৃষ্টির পর
ঠিক এই মুহুর্তে
আবহাওয়াটা
খুবই চমতকার , বুঝলে ?

:: তাই বুঝি ?

(জমাট বাঁধা মেঘগুলো
জলকণা রূপে
ধরণীতে আছড়ে পড়লে
সব হৃদয়ই
হয় প্লাবিত,
হয় আন্দোলিত
একই সুরে
কেন বলত ?

নাহ ! প্রশ্ন করিনি তোমায়। )

:: আমার জানালা দিয়ে যে
মাঠ দেখা যায়,
মনে হচ্ছে, হেঁটে আসি
প্রিয় মানুষের সাথে।

:: মন মাতানো বাতাস
বইছে বুছি ?

:: না, তা নয়
তবে বেশ লাগছে,
শুধু একজন সঙ্গী চাই
হাঁটবে পাশে পাশে ।

:: খালি পায়ে, খোলা চুলে ?

:: উহু ! খোলা চুল মুখ্য নয়,
শুধু চাই
সমান্তরাল হেঁটে যেতে,
কারো সাথে।

:: হাত ধরবে না ?

:: না ! ওতে অনুভুতিগুলো
কেঁপে কেঁপে
পেখম ছড়ানোর আগেই
হবে শৃঙ্খলিত ।

আমি হয়তবা,
কথাও কইবনা বেশী,
বাতাসের ফিসফিস
চাইবনা এড়িয়ে যেতে
একদমই ।

আবেগী শব্দগুলোর চেয়ে
নরম, সবুজ ঘাসে পথ চলা
অনেক বেশী হৃদয় ছোঁয়া।

:: হুমম ! বুঝলাম ।
তা এ চলার শেষ আছে ?
নাকি তোমরা দু'টিতে
করবে প্রদক্ষিণ
একে অন্যকে
অনন্তকাল,
আহ্নিক কিনবা
বার্ষিক গতিতে!

:: এ চলা থামবে,
যখন নিঃস্তব্ধতা
পরাণের গহীণ থেকে
উঠবে ডেকে
শ্লথ হবে গতি,
আমরা দু'টিতে
মধ্যমণি হব
সবুজ ঘাসের দ্বীপে ।

আর তখন,
আমার তৃষ্ণার্ত ওষ্ঠাধর
স্পর্শিবে তার
পেলব অধর ।


:: তবে তাতে কি
পরাধীনতার
অবকাশ নেই !!

:: আছে,
মেনে নিচ্ছি
অকপটে।
তবে কি জানো,
আকর্ষণকে
চাই আমি
দূর্নিবার রূপে;
শান্ত নদীর মত ওই
পথ চলা,
বাঁক নেবে শেষে,
হবে নদী
খরস্রোতা;
হবে উম্মাতাল,
খুঁজে ফিরবে মোহনা।

দিন শেষে নিজেকে
করব সমর্পিত,
হব স্বেচ্ছায় কারারুদ্ধ,
অনুভূতি পাবে মাত্রা নতুন,
অবশেষে
ভালবাসা নতুবা ভালবাসি
তাকেই বলব হয়ত ।